ফিউচার মার্কেটে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম গতকাল টানা তৃতীয় দিনের মতো কমেছে। চীনের ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (ডিসিই) অন্যান্য ভোজ্যতেলের দাম কমে যাওয়া এ দরপতনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে নভেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে গতকাল পাম অয়েলের দাম ৩৬ রিঙ্গিত বা দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য নেমেছে ৪ হাজার ৪৬২ রিঙ্গিতে (১ হাজার ৫৬ ডলার ৮৫ সেন্ট)। কুয়ালালামপুরের এক ব্যবসায়ী জানান, ‘চীনের বাজারে প্রায় সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম কমেছে। এর প্রভাব অন্যান্য ভোজ্যতেলের বাজারেও পড়েছে।’
চলতি মাসের শুরু থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত মালয়েশিয়া থেকে পাম অয়েল রফতানি গত মাসের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৬ থেকে ১৭ শতাংশ বেড়েছে। ইন্টারটেক টেস্টিং সার্ভিসেস অ্যান্ড এমস্পেক অ্যাগ্রি মালয়েশিয়া সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ডিসিইতে গতকাল পাম অয়েলের দাম দশমিক ১৯ শতাংশ কমেছে। এ সময় সয়াবিন তেলের দরপতন হয়েছে দশমিক ১৭ শতাংশ। যদিও এ সময় শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) সয়াবিন তেলের দাম দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়েছে।
এদিকে ইন্দোনেশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ জুন শেষে মাস ভিত্তিতে ১৩ শতাংশ কমে ২৫ লাখ ৩০ হাজার টনে নেমেছে। গতকাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশন জিএপিকেআই।